💵 বাৎসরিক বাজেট প্ল্যানার — এখন মাত্র ৳290 (68% ছাড়)! এখনই নিন

ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা: স্নোবল বনাম অ্যাভালাঞ্চ পদ্ধতি

বাজেট ও সঞ্চয় · ২ মিনিটের পড়া

একাধিক ঋণ বা কিস্তি একসাথে চলছে? কোনটা আগে শোধ করলে বেশি লাভ, সহজ উদাহরণে বুঝুন।

এই লেখায় কী আছে
  1. আগে সব ঋণের তালিকা করুন
  2. পদ্ধতি ১: স্নোবল (ছোট আগে)
  3. পদ্ধতি ২: অ্যাভালাঞ্চ (বেশি সুদ আগে)
  4. কোনটি আপনার জন্য?
  5. ঋণ শোধের সময় যা মনে রাখবেন
  6. হিসাব এক জায়গায় রাখুন
  7. সারকথা

ক্রেডিট কার্ডের বিল, ব্যাংক কিস্তি, ফোন কেনার ইএমআই, কারও কাছ থেকে নেওয়া টাকা। ঋণ একাধিক হলে মাথায় চাপ বাড়ে, আর কোনটা আগে মেটাব সেই প্রশ্ন আসে। দুটি পরিচিত পদ্ধতি আপনাকে গোছানো পথ দেখাতে পারে।

আগে সব ঋণের তালিকা করুন

প্রতিটি ঋণের জন্য লিখুন: কার কাছে, মোট বাকি কত, সুদের হার কত, মাসের ন্যূনতম কিস্তি কত। এই তালিকা ছাড়া কোনো পরিকল্পনা কাজ করে না।

পদ্ধতি ১: স্নোবল (ছোট আগে)

সবচেয়ে কম বাকি ঋণটি আগে শোধের চেষ্টা করুন। বাকি ঋণগুলোতে শুধু ন্যূনতম কিস্তি দিন। একটি ঋণ শেষ হলে তার কিস্তির টাকা পরের ঋণে যোগ করুন।

  • সুবিধা: দ্রুত একটা ঋণ বন্ধ হওয়ায় মনোবল বাড়ে
  • অসুবিধা: সুদ বেশি এমন বড় ঋণ পরে থাকলে মোট সুদ বেশি দিতে হতে পারে

পদ্ধতি ২: অ্যাভালাঞ্চ (বেশি সুদ আগে)

সবচেয়ে বেশি সুদের হারের ঋণটি আগে শোধ করুন। অন্যগুলোতে ন্যূনতম কিস্তি চলবে।

  • সুবিধা: মোট সুদের খরচ সবচেয়ে কম হয়
  • অসুবিধা: প্রথম ঋণ শেষ হতে সময় লাগলে ধৈর্য ধরা কঠিন

কোনটি আপনার জন্য?

গণিতের হিসাবে অ্যাভালাঞ্চ ভালো। কিন্তু অনেকের জন্য স্নোবলই বাস্তবে বেশি কাজ করে, কারণ ছোট ছোট জয় আমাদের এগিয়ে নেয়। নিজেকে প্রশ্ন করুন, আমি কি দ্রুত ফল না দেখলে হাল ছেড়ে দিই? তাহলে স্নোবল। নাকি সুদ বাঁচানোই আমার লক্ষ্য? তাহলে অ্যাভালাঞ্চ।

ঋণ শোধের সময় যা মনে রাখবেন

  1. নতুন ঋণ নেওয়া বন্ধ রাখুন, নইলে তালিকা শুধু বাড়বে।
  2. জরুরি অবস্থার জন্য অল্প একটা তহবিল রাখুন, নইলে হঠাৎ খরচে আবার ঋণ নিতে হবে।
  3. বোনাস বা বাড়তি আয় এলে তার বড় অংশ ঋণে দিন।
  4. প্রতি মাসে দেখুন কতটা বাকি কমল, প্রগতি দেখলে অনুপ্রেরণা থাকে।

হিসাব এক জায়গায় রাখুন

বাৎসরিক বাজেট প্ল্যানার-এ ঋণ পরিশোধ ট্র্যাকার আছে: মোট ঋণ, পরিশোধ হওয়া টাকা আর বাকি কত সব এক পাতায় দেখা যায়। এতে কিস্তির তারিখও মনে রাখতে সুবিধা হয়।

সারকথা

পদ্ধতি যেটাই হোক, নিয়ম মানাই আসল। তালিকা বানান, একটা পদ্ধতি বেছে নিন, আর প্রতি মাসে অগ্রগতি দেখুন।

এটা কাজের মনে হলে শেয়ার করুন
Facebook WhatsApp Telegram X LinkedIn ইমেইল

আরও পড়ুন